নির্দেশ, প্ররোচনা ও অভিন্ন অভিপ্রায়ের অভিযোগে শেখ হাসিনা সহ আওয়ামী নেতা-কর্মীদের বিরূদ্ধে হত্যার মামলা

- Advertisement -
- Advertisement -

ঢাকার সিএমএম আদালতে দায়ের হওয়া সি.আর মামলা নং-২৮৪/২৬-এ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের  বিরুদ্ধে হত্যা, প্ররোচনা এবং অভিন্ন অভিপ্রায়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলাটি দায়ের করেছেন সারদার সেলিম আলী। আদালত: বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট  নাজমিন আক্তারের আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়েছেন। মামলায় পেনাল কোডের ১০৯, ৩০২ ও ৩৪ ধারা উল্লেখ করা হয়েছে। মামলা দায়ের করা হয়েছে আদালত নং-১৫ এ। তদন্তের ভার  শাহবাগ পুলিশ থানার।
নথিতে অভিযোগের তিনটি স্তর দেখা যায়। প্রথমত, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট। দ্বিতীয়ত, ৫ আগস্ট সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে শাহবাগ থানাধীন বাংলা মটর ওভারব্রিজের পশ্চিম পাশে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা। তৃতীয়ত, ওই ঘটনায় মোঃ রাসেলের গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু।

অভিযোগ অনুযায়ী, মোঃ রাসেল গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মামলায় ৩৫০ জন নামীয় আসামি এবং ২০০/৩০০ জন অজ্ঞাতনামা আসামির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। নথিতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা লীগ, যুব মহিলা লীগ, কৃষক লীগ ও শ্রমিক লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের বর্তমান ও সাবেক নেতা-কর্মী, সমর্থক ও অর্থদাতাদের কথা বলা হয়েছে।  উল্লেখযোগ্য হলেন  –  শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, মোঃ আসাদুজ্জামান খান কামাল, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, সালমান এফ রহমান, আনিসুল হক, কামরুল আহসান পাভেল, পলি আক্তার লিজা, এনামুল গনি চৌধুরী, আ.স.ম. ওয়াহিদুজ্জামান, হাসান তারেক, মোঃ আব্দুল মান্নান, মির্জা সাইফুর রহমান, মাসুদ মিয়া, ফজলে রাব্বি, আবু বকর সিদ্দিক, রাব্বানী, মোঃ তানভীর হোসেন, সৌরভ মিয়া, আবদুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, আলামিন, রাজু আহমেদ, মোঃ ইশতিয়াক হোসেন, মোঃ ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, জুনায়েদ জুলকার নাঈন তিয়ান, মোঃ সোহানুর আলম, জুম্মন সাফওয়ান, তাসনিয়া তারানুম নওমি, মর্জিনা বেগম, লামিয়া সাদাব শান্ত, মোঃ আলা উদ্দিন, আব্দুল কাদের, মোঃ খলিলুর রহমান ওরফে খলিল ওরফে জামাই খলিল, হিরালাল দাস, মোঃ ইসহাক কবির, আবুল বাসেত মিয়া, সুলেখা বেগম, মোঃ জামাল, মোঃ কামাল, মোঃ রাসেল মিয়া, এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান, শেখ মামুন আল হাদি, মোঃ মনির হোসেন, আবদুল জাহের, হারুন রশীদ আজাদ, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ কাউছার মিয়া, মোঃ মিঠু মিয়া ওরফে কসাই মিঠু ওরফে বোমারু মিঠু, মোঃ জিয়াউল বেপারী, মোঃ কিবলি মিয়া, মোঃ কবির মিয়া, খান বেলায়েত হোসেন, শামসুদ্দোহা শিমু, মোঃ মুস্তাফিজুর রহমান, মোঃ পলাশ মিয়া, মোঃ আবদুর রহিম, আছাদুজ্জামান মিয়া, এস.এম মান্নান জাহাঙ্গীর, মনির ব্যাপারী, মোঃ মামুনুর রশীদ, সৈয়দ নুর নবী, মোঃ আজগর হোসেন চঞ্চল রাজ, মিথিলা আক্তার, মোঃ আলি আলম রিপন, মাহিন জামান, মোঃ ইউসুফ মোল্লা, সৈয়দ নুরুল ইসলাম, মোঃ সুফিয়ান বকাউল, রিপন, আল আমিন ভূঁইয়া, আলমগীর ভূইয়া, এবি এম আমিরুল ইসলাম, মোঃ কামরুজ্জামান ওরফে জুয়েল ডাকুয়া, মোঃ খোরশেদ আলম, মোঃ বদরুজ্জামান সুমন, হাসনত খান, মোহাম্মদ ইসাম, জহির খান, শামায়েল আলীম, মোঃ সিরাজুল ইসলাম, রনজন চৌধুরী, আনিকা ইসলাম, নজরুল ইসলাম মজুমদার ওরফে হেলাল সাহেব, ওয়ালিদ ইসলাম মজুমদার, মোঃ সামাদ মোল্যা, মোঃ কামাল উদ্দিন, মোঃ হাসান আলী, মোঃ সাহিদুর রহমান, সজীব সরকার, সাজেদুল ইসলাম,  সামিয়া খানম তিশা, রায়হান ইসলাম জিহান, শফিকুল ইসলাম, মোঃ সোলেমান হাজারি, শাহনাজ মুনী, মাহফুজুর রহমান, আব্দুল্লাহ আদিল, রুপা, শাহেদ আহম্মেদ মজুমদার, কামাল আহম্মেদ মজুমদার সহ প্রমুখ।

বাদীর অভিযোগ, থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি। পরে আদালতে নালিশি মামলা দায়ের করা হয়।

সাক্ষী হিসেবে সারদার সেলিম আলী, মোঃ আবুল হাওলাদার এবং রাশেদা বেগমের নাম রয়েছে। মোঃ আবুল হাওলাদার ও রাশেদা বেগম নিহত মোঃ রাসেলের বাবা-মা। মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখ ১৬ জুলাই ২০২৬।

- Advertisement -

আরো পড়ুুর