অন্যধারা ডেস্ক:
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলতি বছরের ১ নভেম্বর থেকে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী স্কুল শিক্ষার্থীদের করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুর দিকে রাজধানীর ৮টি স্কুলের কেন্দ্রে টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়।পরবর্তীতে সারাদেশে টিকাদান কার্যক্রম চালু হয়।সারাদেশে চলমান টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় প্রায়৬ লাখ শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ৯০ হাজার ৫২৯ জনকে ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ৯৫ হাজার ১৯৯ জনকে।
প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ফাইজারের টিকা দেওয়া হচ্ছে। বুধবার (২২ ডিসেম্বর) ২৪ ঘণ্টায় প্রথম ডোজ দেওয়া হয় ১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৯ জনকে ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয় ৪ হাজার ৬৭০ জনকে।
সারাদেশে ৩ কোটি শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়ার টার্গেট নেওয়া হলেও ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৬ লাখ শিক্ষার্থীকে টিকা দেওয়া সম্ভব হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, স্কুলশিক্ষার্থীদের টিকাদান কার্যক্রম কিছুটা ধীর গতিতে চলছে এ কথা সত্যি।
কারণ স্কুলে নিয়মিত ক্লাস না হওয়ায় কিছুটা ধীর গতিতে চলছে তবে স্কুলে নিয়মিত ক্লাস হলে টিকাদান কার্যক্রমের গতিশীলতা বাড়বে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সাপ্তাহিক অন্যধারা//আর এম

